ঢেঁকুর

“না হে রাজসিংহ, কাজটা তুমি মোটেই ঠিক করোনি”।

“কোন্‌ কাজটা মহারাজ?”

“ওই যে, শুনলাম তুমি ফরমান জারি করেছ, পাশের রাষ্ট্রে নাকি গোরু চালান করা হবে না এবার থেকে! কি দরকার ছিল এসব করার? মানছি ‘আন্ডার দ্য টেবিল”, কিন্তু তবুও, কত আর্থিক ক্ষতি হবে বল দেখি এতে?”

“শুধু আর্থিক ক্ষতিটাই দেখলেন মহারাজ? স্বস্তিটা দেখলেন না?”

“দেখতে পাচ্ছি না তো! দেখাও দেখি”।

“দেখুন মহারাজ, পাশের রাষ্ট্র বিধর্মীদের রাষ্ট্র। ওরা নেমকহারাম! আমাদের খাবে, আমাদের পড়বে, আবার আমাদেরই দাড়ি ওপড়াবে। ওদের সাহায্য করার কোনো মানেই হয়না। তার ওপর আবার ওরা বেজায় রগচটা আর জন্মগত মাথামোটা। তাছাড়া এই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর যুগে গোমাংস ভক্ষণ না করাই ভাল, ওতে পেট, মাথা – দুটোই গরম হয়। ওদের দেশ তো আর সাইবেরিয়া নয়। মাথামোটাদের মাথা আরো বেশি গরম করিয়ে কি লাভ বলুন? একে-ওকে মারবে, আর তার হ্যাপা সেই আমাদেরকেই সামলাতে হবে”।

“হুম, তোমার কথায় যুক্তি আছে বটে”।

“তাছাড়া আরো একটা কারণ আছে মহারাজ”।

“কি কারণ?”

“আমাদের গোরু, ওরা কেন খাবে? ভাবুন তো, এই যে শয়েশয়ে গোরু এরা আমাদের দেশ থেকে ভাগিয়ে নিয়ে গিয়ে আড়াই প্যাঁচে হালাল করছে, সেগুলো আমাদের দেশে থাকলে কত লিটার দুধ দেবে? সেই দুধ খেয়ে আমাদের দেশের শিশুরা দুধে-ভাতে থাকতে পারবে, আর তাদের বাবামায়েরা আশীর্বাদ, থুড়ি ভোট দিয়ে আমাদের ভরিয়ে দেবে? রইল ‘আন্ডার দ্য টেবিল’ আর্থিক ক্ষতির ব্যাপার, সেটা পরের পাঁচ বছরে অন্যভাবে পুষিয়ে নেওয়া যাবে। একদম উইন-উইন অবস্থা মহারাজ!”

“বাপরে রাজসিংহ, তোমার বুদ্ধি তো দিনেদিনে বেড়েই চলেছে হে!”

“আজ্ঞে না মহারাজ, এই বুদ্ধি আমার না, গুরুদেবের”।

“তাই বলো, খামোখা তোমায় মইয়ে তুলছিলাম! সত্যিই, গুরুদেব আর গুরুকুল না থাকলে আমাদের যে কি হত!”

“সে তো বটেই!”

“আচ্ছা, মহারাজ্যে যে গোমাংস ভক্ষণ নিষিদ্ধ করা হল, তার রেসপন্স তো শুনছি ভালই?”

“সে আর বলতে! ওখানকার সাধারণ মানুষ বেজায় খুশী। কিছু পেছনপাকা আঁতেল আছে, যাদের কোনো কাজ নেই। তারা ওই সারাদিন কিচিরমিচির করে, আটভাট বকে। অবশ্য তাতে লাভের লাভ কিছু হবে না। যত চাপই আসুক, গুরুদেবের হুকুম – আমরা যেন আমাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকি”।

“না না, পাগল নাকি? এই সিদ্ধান্তের কোনো নড়চড় হবে না”।

“তাছাড়া এই তো সবে শুরু। এরপর গোটা দেশে চালু হবে এই আইন, খুব শীঘ্রই”।

“ফাইন ফাইন। বিধর্মীগুলো বড্ড বেড়েছে, সবকটাকে এবার টাইট দেওয়া যাবে। পয়লা এপ্রিল থেকেই সারা দেশে চালু করে দাও এই আইন, ব্যাটারা হেব্বি এপ্রিলফুল হবে!”

“যা বলেছেন মহারাজ। এখন আসি, পুঁথিটুঁথিগুলো একটু ঘাঁটি গিয়ে, কিছু সইসাবুদ করতে হবে”।

“হ্যাঁ হ্যাঁ যাও, কাজে ফাঁকি দিওনা”।

রাজসিংহ চলে গেলে মহারাজ গোটা দেশে গোমাংস নিষিদ্ধ করার আইডিয়াটা নিয়ে নাড়াচাড়া করতে লাগলেন। অন্যদের নিয়ে তো সমস্যা নেই – গাঁইগুঁই করবে একটু, তারপর রাজীও হয়ে যাবে। কেবল পূবদিকের একটি রাজ্যকে নিয়েই চিন্তা – ওখানকার লোকগুলো বড্ড ঠ্যাঁটা টাইপের, আর সবথেকে ঠ্যাঁটা হল ওদের রাণীমা!

মহারাজ দীর্ঘশ্বাস ফেলেন।

*****

“কি বুঝলেন মিশ্রজী?”

“সত্যানাস হোয়ে গেলো বোনার্জীবাবু, এই বয়েসে এসে এমুন কথা সুনবো ভাবিনি। আমাদের রাণীমার কি মাথা খারাপ হোইয়ে গেলো?”

“কি করে জানবো বলুন? এই বুড়ো বয়েসে শেষে কিনা গোরু খেতে হবে? না খেলে নাকি চাকরি যাবে! এই কথা বৌ শুনলেই তো বাপের বাড়ি চলে যাবে”।

“আরে ব্যানার্জীদা, চাপ নিচ্ছেন কেন? রাণীমা তো বললেন, আস্তে আস্তে সব অভ্যেস হয়ে যাবে। মানুষ পারে না এমন কোনো কাজ নেই”।

“চুপ কর্‌ তুই! তোর আর কি? তোর তো পোয়াবারো, তুই তো এমনিতেই গপাগপ বিফ রোল সাঁটাস”।

“খাবার জিনিস, খাবো না কেন? তাছাড়া খারাপটাই বা দেখছেন কেন? রাণীমা তো এটাও বলেছেন, যে যত বেশি গোমাংস কিনবে, তার ডিএ তত বাড়বে। সেটা কি কম কথা?”

“ছিঃ! ছিঃ! এটা কুনো কথা হল? জীবনে কুনোদিন এসব করিনি, এসব কোথায় পাওয়া যায় তাও জানিনা”।

“আরে মিশ্রজী, ঘাবড়াচ্ছেন কেন? নতুন বাজারে সব পাওয়া যায়। তুরন্ত যাবেন, আর তুরন্ত কিনবেন। বিল নিতে ভুলবেন না কিন্তু, অফিসে জমা দিতে হবে, নইলে ডিএ মিলবে না। খেতে না পারেন চাপ নেই, আমাকে দিয়ে দেবেন। আমার অনেক বেকার বন্ধুবান্ধব আছে, হেব্বি মোচ্ছব হবে”।

“শালা নিত্যানন্দ, তোর খালি ফুর্তি হলেই হল, না? ব্রাহ্মণের ছেলে, দুইকুড়ি বয়েসে এসে শেষে ধর্মভ্রষ্ট হব?”

“আরে বোনার্জীবাবু, রেখে দিন আপনার ধরম। আপনি তো মচ্ছি-মুর্গা খাওয়া বামুন আছেন। আমি তো সুধ্‌ সাকাহারী আছে, আমার কি হোবে? আমার তো জাত যাবে! হায় হায় হায়!”

“ব্যানার্জীদা, মিশ্রজী, একটা কথা আপনাদের বলে রাখি। জাত হারালে জাত পাওয়া যাবে, এই বয়েসে চাকরি হারালে কিন্তু চাকরি পাওয়া যাবে না, তাও আবার সরকারী চাকরি!”

“শালা!”

*****

“গুরুদেব, আপনি আবার কষ্ট করে আসতে গেলেন কেন? আমাকে ডেকে পাঠালেই পারতেন”।

“সব আলোচনা মাঠে-ময়দানে হয়না রাজন, তাই তোমার মন্ত্রণাকক্ষে এসেছি। আমাদের কিছু পরিকল্পনা আছে, সেই বিষয়েই তোমার সঙ্গে কথা বলতে এসেছি”।

“ইয়ে মানে, কি পরিকল্পনা?”

“ঘাবড়ে যেওনা রাজন। তোমাকে সিংহাসনে বসানোর পেছনে আমাদের গুরুকুলের অবদান আছে, সেটা নিশ্চয়ই মানো? তোমাকে যে উদ্দেশ্যে সিংহাসনে বসিয়েছি, সেটাও আশা করি ভুলে যাওনি?”

“আজ্ঞে না গুরুদেব। সেই কাজ তো শুরু হয়ে গেছে। সারা দেশে গোমাংস ভক্ষণ নিষিদ্ধ হল বলে!”

“জানি মহারাজ। কিন্তু সেটা তো সূচনা মাত্র। এবারে আমাদের পরিকল্পনাটা আরেকটু ব্যাপকতা লাভ করতে চলেছে”।

“কিরকম?”

“তুমি নিশ্চয়ই জানো, ভগবান শ্রীবিষ্ণুর দশটি অবতারের মধ্যে প্রথম তিনটি হল মৎস্য, কুর্ম এবং বরাহ। যেমনভাবে আমরা গো-মাতার পূজা করে থাকি, আমরা ঠিক করেছি যে এখন থেকে আমরা এই তিনটি প্রাণীকেও অনুরূপভাবে পূজা করবো। খুব স্বাভাবিকভাবেই, পূজনীয়কে ভক্ষণ করা পাপ, ওতে নরকগমন হয়। তাই এখন থেকে মাছ, কচ্ছপ এবং শূকর খাওয়াও নিষিদ্ধ করতে হবে সারা দেশে”।

“ইয়ে, মানে, সেটা কি ঠিক হবে? তাছাড়া এতে করে কি লাভ হবে গুরুদেব?”

“এটাও বুঝতে পারছ না? হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করাই যেখানে আসল উদ্দেশ্য, সেখানে ভগবান শ্রীবিষ্ণুর অবতারদের রক্ষা করা আমাদের পবিত্র কর্তব্য, বলতে পারো এটা একেবারে প্রাথমিক ধাপ। তাই এই আইন যত শীঘ্র পারো, বলবৎ করে দাও”।

“ঠিক আছে গুরুদেব। আমাকে সকলের সঙ্গে আলোচনা করার একটু সময় দিন, বিশেষ করে রাজসিংহের সঙ্গে”।

“নিশ্চয়ই। আমরা কোনোকিছু চাপিয়ে দেওয়ার পক্ষপাতী নই রাজন। নিশ্চিন্তে আলোচনা কর। আমি আবার একপক্ষ কাল পরে আসব। সেদিনই সুখবরটা শুনে যাব”।

গুরুদেব চলে যান। মহারাজ মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েন।

কি চাপ জীবনে! যতই চেষ্টা করছেন এদের আওতার বাইরে যেতে, ততই যেন জড়িয়ে পড়ছেন এদের চক্রব্যূহে! এর থেকে কি মুক্তি নেই আর?

*****

দিনতিনেক পরের কথা। রাজসভায় মহারাজ আর রাজসিংহ যে যার জায়গায় গালে হাত দিয়ে বসে আছেন, কারো মুখে কথা নেই, আর দুজনেরই কপালে চিন্তার ভাঁজ। গুরুদেবের সঙ্গে মহারাজের যে আলোচনা হয়েছে, সেটা শোনা ইস্তক রাজসিংহ গুম মেরে গেছেন। মাছ তাঁর প্রিয় খাদ্য, মাছ নিষিদ্ধ হয়ে গেলে আর জীবনে থাকবে কি? মহারাজের ওসব পাটবালাই নেই, তিনি শুদ্ধ শাকাহারী।

মহারাজের চিন্তা অন্য। গোমাংস অবধি ব্যাপারটা ঠিক আছে, কিন্তু অন্যগুলো, বিশেষ করে মাছ যদি নিষিদ্ধ করে দিতে হয়, তাহলে অন্য রাজারা তাঁকে ছিঁড়ে খাবে। তখন কি আর গুরুদেব বাঁচাতে আসবেন?

এমন সময় প্রহরী এসে মহারাজের হাতে একটা চিঠি ধরিয়ে দেয়। রাজসিংহ তখনও চিন্তায় মগ্ন, প্রহরীর আগমন এবং প্রস্থান কিছুই টের পাননি। তিনি তখন বাড়ির ফ্রিজে রাখা চিতল মাছের পেটির স্বপ্নে বিভোর। আহা, এই পেটি খাওয়া কিনা শেষে বন্ধ করে দিতে হবে?

“হায় ভগবান!”

চমকে ওঠেন রাজসিংহ। তাকিয়ে দেখেন, মহারাজ কপাল চাপড়াচ্ছেন, মুখটা কেমন ফ্যাকাসে মেরে গেছে।

“কি হয়েছে মহারাজ?”

মহারাজ উত্তর দেননা, কেবল চিঠিটা বাড়িয়ে ধরেন।

মাই ডিয়ার নারু,

আশা করি ভাল আছ।

একটা অনুরোধ আছে তোমার কাছে। বন্ধু বলেই বলছি, আশা করি কিছু মনে করবে না। সামনের মাসেই তো তোমাদের ওখানে যাচ্ছি। এবারে, বুঝলে, কিছু প্রোটিনের ব্যবস্থা রেখো। গতবার তোমাদের ওখানে নিরামিষ খেয়ে আমার ওজন তিন পাউন্ড কমে গিয়েছিল। তাই ডাক্তারের বারণে এখন নিরামিষ আমার সম্পূর্ণ বন্ধ, স্ট্রিক্টলি নন-ভেজ ডায়েটে আছি। সবচেয়ে ভাল হয় যদি বিফের ব্যবস্থা রাখতে পারো। তুমি বন্ধুলোক, জানি তোমাকে বললেই কাজ হবে।

ভাল থেকো।

বামা

চিঠি পড়ে রাজসিংহ ব্যোমকে গেলেন। মহারাজের দিকে ভ্যাবলামুখে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কি হবে মহারাজ?”

মহারাজ তখনও মাথায় হাত দিয়ে বসে। বললেন, “জানিনা, কিচ্ছু জানিনা। বামা যবে আসবে, ততদিনে তো সারাদেশে… সর্বনাশ হয়ে যাবে রাজসিংহ, বামা ক্ষেপে গেলে আমাদের সব গ্রান্ট আটকে যাবে। কিছু একটা ভাবো তাড়াতাড়ি”।

“কি ভাববো মহারাজ? যা আইন তৈরী হয়েছে, তাতে তো গোরুর ত্রিসীমানায় ঘেঁষা যাবেনা, গায়ে হাত দেওয়া তো দূরের কথা!”

“হাম্বা”!

“তুমি কি গোরু হয়ে গেলে রাজসিংহ? লাভ নেই, বামা ক্যানিবাল নয়”।

“আজ্ঞে আমি না মহারাজ, রাজসভার বাইরে একটা গোরু ডাকছে”।

হাম্বারব আরো কাছে এগিয়ে আসে। মহারাজ এবং রাজসিংহ অবাক হয়ে দেখেন, একটা হৃষ্টপুষ্ট গোরু মৃদুমন্দ গতিতে রাজসভায় ঢুকে পড়েছে।

“এ তো মেঘ না চাইতেই জল রাজসিংহ। ভগবানই একে পাঠিয়েছেন। একে লুকিয়ে রাখো, ভাল করে খাওয়াদাওয়া করাও, তারপর বামা এলে একে কাজে লাগানো যাবে”।

“কিন্তু মহারাজ…!”

“কোনো প্রশ্ন নয় হে। এখনও আইনটা লাগু হয়নি, তাই আমরা কোনো বেআইনি কাজ করছি না এখানে। মালটাকে কেবল মাসখানেক লুকিয়ে রাখতে হবে। কোথায় রাখবে, সেটা তোমার ব্যাপার। প্রহরী!”

রাজার হাঁক শুনে গোটাতিনেক প্রহরী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ছুটে এল, গোরুটাকে ধরবার জন্য। কিন্তু গোরুটার যেন ধরা দেওয়ার কোনো ইচ্ছেই নেই, দিব্যি পাশ কাটিয়ে যেতে থাকে। রাজসভা জুড়ে রাজা, রাজসিংহ আর প্রহরীদের “ধর্‌ ধর্‌ বাঁধ বাঁধ” চিৎকার আর হইচই শুরু হয়ে গেল। এত হট্টগোল গোরুটার ঠিক পছন্দ হল না। আক্রমণই আত্মরক্ষার শ্রেষ্ঠ উপায় মনে করে গোরুটা এবার স্টান্স বদলায়। দুই পা পিছিয়ে গিয়ে, শিং বাগিয়ে…ওমা, একি…এ যে আমার দিকে তেড়ে আসছে! দৌড়ে যে পালিয়ে যাব, সেটাও পারছি না দেখছি। শেষে কিনা গোরুর শিঙের গুঁতোয় প্রাণটা হারাবো? ‘আঁ আঁ’ করে চোখটা বন্ধ করে ফেললাম…

চোখ খুলে দেখি কোথায় গোরু, কোথায় রাজসভা? বিছানায় আমি একা, বাইরে ভোরের আলো ফুটছে, কাকপাখি ডাকাডাকি করছে। ব্যাপারটা ভাল করে বুঝে উঠবার আগেই একটা বিশাল ঢেঁকুর উঠে এল।

এঃ, কি বিশ্রী গন্ধওয়ালা ঢেঁকুর!

গতরাতের অলিপাবের বিফস্টেকটা এখনও হজম হয়নি মনে হচ্ছে।

নাঃ, নমো নমো করে গোরু খাওয়াটা ছেড়েই দেব এবারে।

নাকি…?

Advertisements

10 thoughts on “ঢেঁকুর

  1. সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় এপ্রিল 11, 2015 / 2:46 অপরাহ্ন

    চরম খিল্লি, কোনো কথা হবে না গুরু। যুগযুগ জিও। চর্‌ম লেখা। বেশ কয়েকবার পরে ফেললাম।

  2. Maniparna Sengupta Majumder এপ্রিল 11, 2015 / 10:42 অপরাহ্ন

    যা তা হয়েছে তো 😀

    “জাত হারালে জাত পাওয়া যাবে, এই বয়েসে চাকরি হারালে কিন্তু চাকরি পাওয়া যাবে না, তাও আবার সরকারী চাকরি!”

    বৌ হারালে বৌ পাবি রে পাগ্‌লা 😛 😀

    রাজ সিংহ নামটাও হেব্বি দিয়েছ…ব্যাপক ব্যাপক!!

    • অরিজিত এপ্রিল 12, 2015 / 9:15 পুর্বাহ্ন

      অনেক ধন্যবাদ। 🙂
      অনেকদিন পরে তোমার কমেন্ট পেয়ে দিল গার্ডেন গার্ডেন হয়ে গেল। 😀

  3. Sidhu Mukujjey এপ্রিল 22, 2015 / 3:47 অপরাহ্ন

    Darun darun….. naam (choddo naam) gulo ekdom bachai kora…bama to Naru 🙂

  4. Meghpeon এপ্রিল 30, 2015 / 7:06 অপরাহ্ন

    achha, notun lekha koi?

  5. tubaibanerjee জুন 19, 2015 / 6:48 অপরাহ্ন

    Asdharan satire e tumi ek dare sihddhya hasta hoye utchcho. Naru o Rajsingha o Gurudev er arale jara achchen tader bodh uday holei bahlo . Namo Namo

    • অরিজিত জুন 20, 2015 / 7:53 অপরাহ্ন

      হলে তো ভালই, কিন্তু বোধোদয় আদৌ হবে কি?

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s